Best Homeo Doctor

Mahmudul Hasan

পৌনপুনিক জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

পৌনপুনিক জ্বর (Relapsing Fever) হলো এমন একটি ধরনের জ্বর, যেখানে কিছু দিনের জন্য তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় (জ্বর), তারপর কিছু সময়ের জন্য স্বাভাবিক হয়ে যায়, এবং পরবর্তীতে আবার জ্বর ফিরে আসে। এটি সাধারণত একাধিক চক্রের মধ্যে ঘটে, যেখানে জ্বরের পর্যায় এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রার পর্যায় alternates করে। পৌনপুনিক জ্বর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাকটেরিয়া বা ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের কারণে হয়ে […]

পৌনপুনিক জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

পুরাতন জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

পুরাতন জ্বর বা ক্রনিক জ্বর একটি দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অবস্থা, যেখানে জ্বরের উপসর্গ কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে স্থায়ী থাকে। এটি সাধারণত কোনো প্রাথমিক রোগের পরিপ্রেক্ষিতে অথবা শরীরের কোনো দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার কারণে হতে পারে। পুরাতন জ্বরের কারণ: ১. ইনফেকশন: কিছু ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস দীর্ঘস্থায়ীভাবে শরীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যেমন: টিউবারকুলোসিস (TB) হেপাটাইটিস B এবং C

পুরাতন জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

দুগ্ধ জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

দুগ্ধ জ্বর (Milk Fever) মূলত গরু বা অন্যান্য দুধ উৎপাদনকারী পশুদের মধ্যে একটি সাধারণ রোগ, তবে এটি মানুষের জন্য সাধারণ নয়। এটি বিশেষ করে গাভী এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত প্রাণীতে দেখা যায়, যখন তাদের দুধ উৎপাদন হঠাৎ বৃদ্ধি পায় বা ল্যাকটেশন শুরু হয়। দুগ্ধ জ্বরের কারণ: দুগ্ধ জ্বর বা হিপোক্যালসেমিয়া মূলত ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে ঘটে, যা

দুগ্ধ জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

ডেঙ্গু জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাল সংক্রমণ, যা সাধারণত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি বেশিরভাগ সময় গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে দেখা যায়, কিন্তু এখন পৃথিবীর অনেক অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ডেঙ্গু জ্বরের কারণ: ডেঙ্গু জ্বরের কারণ হলো ডেঙ্গু ভাইরাস, যা সাধারণত এডিস মশা (বিশেষত, এডিস এজিপ্টি এবং এডিস আলবোপিক্টাস) দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। যখন এই মশা কোনো আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত খায়,

ডেঙ্গু জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

টাইফয়েড জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

টাইফয়েড জ্বর (Typhoid Fever) হল একটি গুরুতর সংক্রামক রোগ যা স্যালমোনেলা টাইফি (Salmonella Typhi) ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। এটি প্রধানত মল–মুত্র বা পানি এবং খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। টাইফয়েড জ্বর সাধারণত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেশি হয়, যেখানে স্যানিটেশন এবং বিশুদ্ধ পানির সুবিধা নেই। কারণ: টাইফয়েড জ্বরের মূল কারণ হল স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া, যা মূলত এই উপায়ে ছড়াতে পারে:

টাইফয়েড জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

জ্বরঠুটো কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

জ্বরঠুটো (Relapsing Fever) হল এমন একটি ধরনের জ্বর যা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর ফের ফিরে আসে, এবং প্রতিবারের জ্বরের তীব্রতা ও সময়কাল আলাদা হতে পারে। এটি সাধারণত ম্যালেরিয়া, লেম্ব্রোজ (Louse-borne fever), বা অন্যান্য কিছু সংক্রমণজনিত রোগের কারণে হতে পারে। কারণ: জ্বরঠুটোর সাধারণ কারণ হলো: বোরেলিয়া (Borrelia) সংক্রমণ – এটি একটি ব্যাকটেরিয়া যা জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়,

জ্বরঠুটো কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

জ্বর বেশি হওয়ার কারন,লক্ষন,প্রতিকার

জ্বর সাধারণত শরীরে কোনো সংক্রমণ বা রোগের কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রতিক্রিয়া। এটি সাধারণত শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করছে এমন একটি চিহ্ন। তবে, যদি জ্বর খুব বেশি হয় বা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে, তাহলে কিছু সতর্কতা নেওয়া প্রয়োজন। জ্বর বেশি হলে করণীয়: বিশ্রাম নিন: শরীরের শক্তি সঞ্চয় করার জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। শরীরকে বিশ্রাম দিতে সাহায্য

জ্বর বেশি হওয়ার কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

জ্বর বিভিন্ন ধরনের কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

জ্বর বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেগুলি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে এবং প্রতিটির উপসর্গ ও চিকিৎসার উপায়ও আলাদা। এখানে কিছু সাধারণ ধরণের জ্বরের কথা আলোচনা করা হলো: ১. সাধারণ জ্বর (Common Fever) কারণ: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য সাধারণ সংক্রমণ। লক্ষণ: তাপমাত্রা ৩৮°C বা তার বেশি। শরীরের দুর্বলতা, ক্লান্তি। মাথাব্যথা, গা ঘোরানো। ঘাম বা শীতল অনুভূতি। প্রতিকার:

জ্বর বিভিন্ন ধরনের কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

জ্বর ফোসকা কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

জ্বর ফোসকা (Fever Blisters) সাধারণত হেরপিস সিম্পলক্স ভাইরাস (Herpes Simplex Virus, HSV) দ্বারা সৃষ্ট ছোট, পানি পূর্ণ ফোসকা যা শরীরের বিভিন্ন অংশে, বিশেষ করে মুখের চারপাশে, ঠোঁটের কিনারা, বা জিভে দেখা যায়। এই ধরনের ফোসকাগুলিকে সাধারণত হেরপিস বা কোল্ড সোর বলা হয়। জ্বর ফোসকার কারণ: জ্বর ফোসকার মূল কারণ হলো হেরপিস সিম্পলক্স ভাইরাস (HSV)। সাধারণত

জ্বর ফোসকা কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »

প্রচন্ড জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার

প্রচন্ড জ্বর বা উচ্চ তাপমাত্রা (High Fever) এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক সীমার (৩৭.৫ – ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে অনেক বেশি বেড়ে যায়, সাধারণত ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি। এটি শরীরের কোনো ধরনের সংক্রমণ বা রোগের কারণে হতে পারে, যখন শরীর ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে। প্রচন্ড জ্বরের কারণ:

প্রচন্ড জ্বর কি,কারন,লক্ষন,প্রতিকার Read More »